কোষ্ঠকাঠিন্যের পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। খারাপ খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের অভাব, কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্ট্রেসের কারণেও এই সমস্যাটি হয়। সাধারণত খাবারে একটু বেশি ফাইবার বা আঁশযুক্ত উপাদান রাখলেই আর সমস্যা হয় না। যে কোনো ফল বা সবজিই খাওয়া যেতে পারে, তবে বিশেষ কিছু খাবার আছে যেগুলো এই সমস্যার জন্য বেশি উপকারী:-
শরীর থেকে ঘুমের ভাব কাটাতেই বেশিরভাগ মানুষ কফি পান করেন, কিন্তু এটা অন্যান্য কারণেও উপকারি। কারো কারো ক্ষেত্রে এটা পেট নরম করতে সাহায্য করে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে গিয়ে অতিরিক্ত কফি পান করে বসবেন না যেন, এতে ডায়রিয়া হয়ে যেতে পারে। ২-৩ কাপের বেশি পান না করাই ভালো।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় শরীর যথেষ্ট পানি না পাওয়ার কারণে তৈরি হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। এ কারণে যথেষ্ট পানি পান করুন। বিশেষ করে আপনি যখন ব্যায়াম করছেন বা বাইরে অনেকটা সময় গরমে কাটাচ্ছেন, তখন পানি বিশেষ জরুরি।
না, জুস নয়। বরং আস্ত কমলাই খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে বেশ কিছুটা ফাইবার থাকে। শুধু তাই নয়, ২০০৮ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, কমলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক।
সাধারণ স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় পপকর্ন নেই বটে। কিন্তু এটায় আছে অনেকটা ফাইবার। এ কারণে তা আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করতে পারে। তবে সাবধান, মাখনে ভরা ফ্যাটি পপকর্ন খাবেন না। দরকার হলে বাড়িতেই তৈরি করে নিন একদম সাধারণ পপকর্ন।
প্রতি কাপ লাল চালে থাকে ৩.৫ ভাগ ফাইবার। এছাড়াও এটি সাধারণ সাদা চালের চাইতে বেশি পুষ্টিকর। এছাড়াও খেতে পারেন বিভিন্ন হোলগ্রেইন।
এক কাপ সেদ্ধ পালংশাকেই থাকে চার গ্রাম ফাইবার। এছাড়াও থাকে ১৫০ মিলিগ্রামের বেশি ম্যাগনেসিয়াম যা কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
টক দইয়ের প্রো-বায়োটিক গুণাগুণ আপনার হজমের সমস্যাকে দূর করতে সহায়ক। নিয়মিত টক দই খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য হবার সম্ভাবনা কম থাকবে।
ইসুবগুলের ভুষি পানির সাথে মিশিয়ে খেলে যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সুরাহা হয় এটা প্রায় সবাই জানেন। তবে খেতে হবে নিয়মমতো। এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
Designed & Developed by TechSolutions BD